Header Ads

বাবা ভাণ্ডারী'র জীবন বৃত্তান্ত

সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী'র (কঃ) জীবন বৃত্তান্ত

 জন্মঃ
সৈয়দ গোলামুর রহমান১৪ অক্টোবর ১৮৬৫ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম , বাংলাদেশ। 
ওফাতঃ
৫ এপ্রিল ১৯৩৭ (৭১ বছর)ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম , বাংলাদেশ।
 ওফাতের কারণঃ
 বার্ধক্য।
 সমাধিঃ
 মাইজভান্ডার , ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম , বাংলাদেশ।
 অন্য নামঃ
 গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারী, ছোট মৌলানা,গাউছুল আজম, বাবা ভান্ডারী।
 যে জন্য পরিচিতঃ
মাইজভান্ডারী সূফী।
 ধর্মঃ
ইসলাম।
দাম্পত্যসঙ্গীঃ
 সৈয়দা জেবুন্নেছা বেগম।
সন্তানঃ 
 সৈয়দা মায়মুনা খাতুন, সৈয়দ খায়রুল বশর, সৈয়দ আবুলবশর, সৈয়দা সাজেদা খাতুন, সৈয়দ মাহবুবুল বশর,সৈয়দ শফিউল বশর।
পিতা-মাতা(গণ)
পিতা: সৈয়দ আব্দুল করিমমাতা: সৈয়দা মোশাররফ জান বিবি।

              সৈয়দ গোলামুর রহমান বা বাবা ভান্ডারী (১৮৬৫-১৯৩৭ খৃঃ) হলেন মাইজভান্ডারী তরীকার মূল ধারার ছুফিগণের মধ্যে দ্বিতীয় বিখ্যাত ছুফি সাধক। বিভিন্ন লেখকের লেখায় জানা যায়, এ ছুফি তরীকাটি তার জীবদ্দশায়ই জনসমাজে দ্রুত ব্যাপকতা লাভ করে। তিনি ছিলেন মাইজভান্ডারী তরীকার প্রতিষ্ঠাতা আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর ছুফি ধারার প্রতিনিধি বা খলিফা ও ভ্রাতুষ্পুত্র। তার পারিবারিক নাম সৈয়দ গোলামুর রহমান হলেও তিনি বাবা ভান্ডারী নামেই বহুল পরিচিত। বিভিন্ন লেখকের লেখায় পাওয়া তথ্য মতে তিনি আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী ও সমকালীন অপর খলিফা ছোট মৌলানা র মৃত্যুর পর মাইজভান্ডারী পরিমন্ডলে গাউছুল আজম নামে খ্যাতি অর্জন করেন। সে সময় তাকে ছোট মৌলানা নামে অভিহিত করেও বহু গীতি কাব্য রচিত হয়। তার মধ্যে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বিরচিত মুর্শিদী গান শীর্ষক বইটি বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য। বিভিন্ন প্রকাশনায় অনুসারীগণ তার নাম লিখে থাকেন: গাউছুল আজম হযরত মৌলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান আল মাইজভান্ডারী কাদ্দাছাল্লাহু ছিরহুল আজিজ / (কঃ)।

জন্মঃ
তিনি ১২৭০ বঙ্গাব্দের ২৭শে আশ্বিন এবং ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লার সংশোধিত বর্তমান পঞ্জিকার ২৯শে আশ্বিন মোতাবেক ১৮৬৫ খৃষ্টাব্দের ১৪ই অক্টোবর, ১২৮৪হিজরী ১২ই জমাদিউস সানী সোমবার ভোর বেলায় মাইজভান্ডার নামক তৎকালীন প্রত্যন্ত গ্রামে নিজ পিত্রালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ আব্দুল করিম ও মাতার নাম সৈয়দা মোশাররফ জান বিবি। ছয় ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

 শিক্ষা জীবনঃ
তিনি বাল্যকাল নিজ গ্রামে অতিবাহিত করেন। তারপর ১২৯৯হিজরীতে চট্টগ্রাম শহরের মোহসেনিয়া মাদ্রাসায় এবতেদায়ী শ্রেণীতে ভর্তি হন। দুই বছর পর ১৮৮২খৃষ্টাব্দ হতে তিন বছর ফটিকছড়ির বড় বিবির হাটস্থ এক মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করে পুণরায় ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দে মোহসেনিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। উক্ত মাদ্রাসায় তিনি জামায়াতে আউয়াল পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। পারিবারিক জীবনঃ১৮৮৮ খৃষ্টাব্দ ১২৫২ মঘীর ২৭শে ফাল্গুন ২৩ বৎসর বয়সে সৈয়দা জেবুন্নেছা বেগমের সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়।সংসার জীবনে তিনি ছিলেন চার পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানের জনক। তারা হলেন যথাক্রমে সৈয়দা মায়মুনা খাতুন, সৈয়দ খায়রুলবশর, সৈয়দ আবুল বশর, সৈয়দা সাজেদা খাতুন, সৈয়দ মাহবুবুল বশর,সৈয়দ শফিউল বশর।

 ওফাতঃ
বাবা ভান্ডারী একাত্তর বছর ছয় মাস বয়সে ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের২২শে চৈত্র মোতাবেক ১৯৩৭ খৃষ্টাব্দের ৫ই এপ্রিল, ১৩৪৬হিজরীর ২২শে মহররম রোজ সোমবার মাইজভান্ডারে ভোর ৭টা ৫৫ মিনিটে ধরাধাম ত্যাগ করেন। সেখানেই তার সমাধির উপর গম্বুজ খচিত মাজার তৈরী করা হয়। উক্ত মাজারে প্রতি বৎসর তার জন্ম ও ওফাতের তারিখে নানা ধর্ম ও মতের লাখো মানুষের সমাগম হয়।

 সূত্রঃগুগল

No comments

Powered by Blogger.